গলাচিপায় দুই সন্তানের জননী অসহায় নারীর কান্না আজও থামেনি | আপন নিউজ

বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
তালতলীতে গণভোটের পোস্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়নে চির বিদায় নিলেন মহিপুরের মন্নান হাওলাদার পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা আমতলীতে ছয় শতাধিক মসজিদে এক লাখ ২০ হাজার মানুষের মাঝে গণভোটের প্রচারনা আমতলীতে এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরন সুষ্ঠু ভোট হলে সরকার গঠনে বিএনপিই এগিয়ে থাকবে: এবিএম মোশাররফ হোসেন গলাচিপায় নামাজ আদায় করে বাইসাইকেল উপহার পেল ২৮ শিশু ক্ষুদ্র জেলে সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির ১২তম বার্ষিক সভা কলাপাড়া সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজে নবীন বরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফিস্ট-২০২৬ কলাপাড়ায় ফেরদৌস মুন্সী হ’ত্যা’র প্র’তিবা’দে মা’ন’ব’ব’ন্ধ:ন
গলাচিপায় দুই সন্তানের জননী অসহায় নারীর কান্না আজও থামেনি

গলাচিপায় দুই সন্তানের জননী অসহায় নারীর কান্না আজও থামেনি

সঞ্জিব দাস, গলাচিপাঃ গলাচিপায় দুই সন্তানের জননী অসহায় নারীর কান্না আজও থামেনি। অসহায় নারী হচ্ছেন গলাচিপা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল বারী খলিফার মেয়ে জেবা খলিফা (৩২)। জন্মের পর থেকেই তিনি গলাচিপা সদর রোডের উত্তর পাশে সরকারি খাস জমির উপরে ঘর তৈরি করে বসবাস করে আসছেন। তার বাসার পৌর হোল্ডিং নং ৫৫৮। ছোট বেলা থেকেই এই ঘরে তার বেড়ে ওঠা এবং এই ঘরে থাকতেই তার বিবাহ হয়। বিবাহের পর স্বামী সন্তানকে নিয়েও তিনি এখানে বসবাস করছেন। তার বাবা মারা যাওয়ার আগে থেকেই প্রায় আড়াই শতক জমির উপর তাকে থাকার ব্যবস্থা করে যান।

এ বিষয়ে অসহায় জেবা খলিফা বলেন, আমার বাবা বারী খলিফা জীবিত অবস্থায় আমাকে ও আমার স্বামী সন্তানকে এই জায়গায় রেখে যান। আমি আমার স্বামীর কাছ থেকে টাকা পয়সা এনে এই ঘর তোলার জন্য বাবাবে সহযোগিতা করি। আমরা ২ ভাই ও ১ বোন। আমি এই জায়গায় প্রায় ৩২ বছর যাবৎ বসবাস করে আসছি। সরকার বাহাদুরকে সরকারি খাজনা দেওয়ার জন্য সবসময় প্রস্তুত আছি। কিন্তু একটি স্বার্থন্বেষী মহল অফিসের লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে আমার ডিসিআরে বাঁধা বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। আমি গরিব মানুষ। আমার তেমন টাকা পয়সা নাই। আমি ২ সন্তানের জননী। আমার সন্তানদের পড়ালেখা করাতে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। তার উপর এই জায়গার ডিসিআর না পেলে আমাকে পথে বসে যেতে হবে। আমার স্বামী এবং আমি অল্প অল্প করে অনেক কষ্টে খেয়ে না খেয়ে কিছু টাকা সঞ্চয় করেছি এই জায়গার ডিসিআর পাওয়ার জন্য। কিন্তু এখন আমি ডিসিআর পাচ্ছি না। তাই মানবিক বিষয় বিবেচনা করে আমি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে এই জায়গার ডিসিআর পাওয়ার আবেদন করছি।

এ বিষয়ে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সুশীল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আসলেই জেবা খলিফা অসহায় নারী। তারা বাবা থাকা কালীন সময় থেকে এখন পর্যন্ত তিনি এই জায়গায় বসবাস করছেন।

গলাচিপা সদর ভূমি অফিসের তহশিলদার সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রতিবেদন শীঘ্রই পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, সরকারি জায়গায় যারা বসবাসকারী তারাই সরকারি জায়গার প্রকৃত দাবীদার। বিষয়টি আপনার মাধ্যমে শুনেছি, যাচাই বাছাই করে দেখবো।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!